আজ ১ মার্চ ঐতিহ্যবাহী পিরোজপুর জেলা প্রতিষ্ঠার ৪২ বছর পূর্ণ হলো। ১৯৮৪ সালের এই দিনে জেলার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়, যা দক্ষিণাঞ্চলের প্রশাসনিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
ইতিহাস সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ তৎকালীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর কৃষিমন্ত্রী এ.জেড.এম. ওবায়দুল্লাহ্ খান আনুষ্ঠানিকভাবে পিরোজপুর জেলা হিসেবে এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এর মাধ্যমে বৃহত্তর বরিশাল অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ইউনিট হিসেবে পিরোজপুরের আত্মপ্রকাশ ঘটে।
প্রতিষ্ঠার পূর্বে পিরোজপুর বৃহত্তর বরিশাল জেলার একটি মহকুমা ছিল। জেলা ঘোষণার পর থেকে এখানে প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষি ও মৎস্য খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।
জেলা প্রতিষ্ঠার পর গত চার দশকে পিরোজপুর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছেছে। জেলার নেছারাবাদ, ভান্ডারিয়া, কাউখালী, ইন্দুরকানী, মঠবাড়িয়া, নাজিরপুর ও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত এ জেলা বর্তমানে দক্ষিণাঞ্চলের একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।
এ উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন দিবসটি স্মরণ করছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, জেলার প্রতিষ্ঠা দিবস নতুন প্রজন্মকে জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি করে এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অনুপ্রেরণা জোগায়।
জেলা প্রতিষ্ঠার ৪২ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্থানীয় প্রশাসন, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। অনেকেই জেলার উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পিরোজপুর জেলার জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
