নিজস্ব প্রতিবেদক: জামায়াতের মধ্যে ইসলামের লেশমাত্র নেই, শুধু আছে ভণ্ডামি বলে মন্তব্য করেছেন পৌর বিএনপির সভাপতি কাজী কামাল হোসেন। এসময় তিনি জামায়াতকে আবারও মুনাফিক সংগঠন আখ্যা দেন।
২২ নভেম্বর (শনিবার) মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মাঠে আয়োজিত আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পিরোজপুর-২ আসনের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মনোনীত প্রার্থী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমনের সাথে নেছারাবাদ উপজেলা শিক্ষক পরিবারের মতবিনিময় সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।
তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, মদের দোকানের নাম ‘ইসলামিয়া মদের দোকান’ রাখা হলেও সেই দোকানের মদ যেমন হালাল হবে না, সুদের ব্যবসা করে যতই ব্যাংকের নাম ইসলামী ব্যাংক রাখা হোক সেই ব্যাংকের ব্যবসা হালাল হবে না। ঠিক সেভাবে যেখানে ইসলামের লেশমাত্র নেই, ইসলামের আকিদা নেই, শুধু আছে ভণ্ডামি।
মাদ্রাসার শিক্ষকদের এসব বিষয় ভোটারদের কাছে তুলে ধরতে বলে কামাল বলেন, আপনারা যারা আলেম-ওলামা আছেন তারা যদি আমাদের জনগণকে বলেন তাহলে জনগণ খুব তাড়াতাড়ি সেবা গ্রহণ করবে। এখনও আমাদের মুসলিম সমাজে আলেম-ওলামাদের কথাই বেশি গ্রহণ করা হয়।
হিন্দু শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে কাজী কামাল বলেন, ঐ স্বাধীনতাবিরোধীরা যারা এদেশের সাধারণ মানুষ বিশেষ করে হিন্দুদের উপর জুলুম-নির্যাতন করেছে তাদের বিরুদ্ধে আপনাদের কথা সাধারণ হিন্দুদের কাছে পৌঁছে দিন। তাহলে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক ঐ মুনাফিক সংগঠন থেকে দূরে থাকবে।
কাজী কামাল আরও বলেন, যে সংগঠন একবার নিজের জন্য বলে মন্দিরে যাওয়া যাবে না, আবার তারাই মন্দিরে গিয়ে গীতা পাঠ করে। এই মুনাফিক সংগঠন সম্পর্কে আপনাদের যতটুকু জ্ঞান আছে ততটুকু যদি পৌঁছে দিতে পারেন, তাহলে প্রত্যেকটা হিন্দু লোক এক হয়ে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করবে।
পাকিস্তানে জন্ম নিয়েও সেখানে জামায়াত ব্যর্থ বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই সিনিয়র নেতা। তিনি বলেন, জামায়াতের জন্ম পাকিস্তানে, মুসলিম বেশি কিন্তু সেখানেই তাদের অস্তিত্ব নেই। আপনারা যদি সবাইকে বোঝাতে পারেন তাহলে জামায়াতে ইসলাম আপনার এলাকা থেকে ভোট নিতে পারবে না।
মুসলিম শিক্ষকদের কাছেও তিনি আহ্বান করেন বিএনপির পক্ষে জনমত তৈরির জন্য। প্রত্যেক শিক্ষক ও শিক্ষিকা যদি দায়িত্ব নেন তবে নেছারাবাদে ধানের শীষের জয়জয়কার হবে বলেই তিনি মনে করেন।
