সোহাগদল প্রতিনিধি: নেছারাবাদের অন্যান্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো সোহাগদল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও সহকারী শিক্ষকরা লাগাতার কর্মবিরতিতে রয়েছেন। তবে কর্মবিরতি থামাতে পারেনি বার্ষিক পরীক্ষা। প্রধান শিক্ষক ও দপ্তরি মিলে বিকল্প ব্যবস্থায় পরীক্ষাগুলো নেওয়া হচ্ছে।
প্রধান শিক্ষক আফিদা আফরোজ জানান, সহকারী শিক্ষক ছাড়া পরীক্ষা নেওয়ায় শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যায় পড়ছে। তিনি বলেন, শিক্ষকের অভাব অবশ্যই সমস্যা তৈরি করছে, তবুও পরীক্ষাকে থামিয়ে রাখলে বাচ্চাদের আরও ক্ষতি হতো। যতটা পারছি চেষ্টা করছি।
অন্যদিকে, আন্দোলনরত সহকারী শিক্ষক সোহেলি আক্তার জানান,অনেক স্কুলে অভিভাবকদের দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হলেও সোহাগদলে তা করা হয়নি। পরীক্ষার দায়িত্ব প্রধান শিক্ষক নিজেই সামলাচ্ছেন।
সহকারী শিক্ষক শাখাওয়াত হোসেন তাদের চলমান আন্দোলনকে ন্যায্য দাবি উল্লেখ করে বলেন, আমাদের এই মর্যাদার লড়াই, সবাই একটু পাশে থাকুন। পরীক্ষার বিষয়টি আমরা বুঝি, কিন্তু দাবি আদায়ের বিকল্প নেই।
আরেক সহকারী শিক্ষক জাকির হোসেন কষ্ট প্রকাশ করে বলেন, বাচ্চারা পরীক্ষা দিচ্ছে, আমরা পাশে থাকতে পারছি না। এটা শিক্ষক হিসেবে আমাদের জন্যও বেদনাদায়ক।
সোহাগদল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী ৩৮১ জন, সহকারী শিক্ষক ১৩ জন। তাদের অনুপস্থিতিতে পরীক্ষার পুরো দায় এখন প্রধান শিক্ষক ও দপ্তরির কাঁধে।
এদিকে সহকারী শিক্ষক সাখাওয়াত হোসেনকে সরকারি শাস্তি বা যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি স্বরূপবার্তাকে বলেন, এ বিষয়ে এখনো তিনি/ তারা কিছু জানেন না। তবে তাদের কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে যে কোনো ঘোষণা আসলে তারা মানতে বাধ্য।
