নিজস্ব প্রতিবেদক: সারা দেশের মতো স্বরূপকাঠীতেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা লাগাতার কর্মবিরতি ও বার্ষিক পরীক্ষা বর্জনের পর এখন ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন। এতে উপজেলার ১৭০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় প্রান্তিক বা বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে।
তবে স্কুল কমিটি ও অভিভাভবকদের মাধ্যমে চলছে পরীক্ষা। পরীক্ষার সময়সূচি বিপর্যস্ত হয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ ও উদ্বেগ বাড়ছে।
এর মধ্যেই বুধবার বিকেলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্দেশ দিয়েছে, অবিলম্বে পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে, অন্যথায় সরকারি চাকরি আইন, আচরণবিধি ও ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এই নির্দেশনার পরও স্বরূপকাঠির আন্দোলনরত শিক্ষকদের একাংশ ঘোষণা দিয়েছেন, আগামীকাল সব ক্লাসরুমে তালা ঝুলিয়ে দেবেন, পরীক্ষার কোনো আয়োজন তারা করতে দেবেন না।
অন্যদিকে, পাল্টা অবস্থান নিয়েছে স্কুল কমিটি ও অভিভাবকরা। তাদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ‘দরকার হলে তালা ভেঙে পরীক্ষা নেওয়া হবে।’ ফলে রাত থেকেই স্বরূপকাঠির বিভিন্ন বিদ্যালয়ে উত্তেজনা ও টানাপোড়েন বাড়ছে। কিছু স্কুলে অভিভাবকরা পরীক্ষা চালু রাখার দাবি তুলছেন, আবার আন্দোলনরত শিক্ষকরা বলছেন, ন্যায্য দাবি বাস্তবায়ন না হলে কর্মসূচি প্রত্যাহার করা যাবে না।
