জুলাই অভ্যুত্থানের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত গঠনের লক্ষ্য নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনকে নিয়ে ঘোষণা হয়েছে নতুন নির্বাচনী জোট, ‘রাজনৈতিক ও নির্বাচনী ঐক্য’। এই জোট ঘোষণার পর পিরোজপুর–২ (নেছারাবাদ–কাউখালী–ভাণ্ডারিয়া) আসনে রাজনৈতিক সমীকরণে স্পষ্ট পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। কারণ তিন দলের মধ্যে সবচেয়ে সক্রিয় কাজ করছে এবি পার্টি, যারা ইতোমধ্যেই ড. ফয়সাল খানকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামিয়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়নে গণসংযোগ, কর্মীদের সংগঠিত করা, পোস্টার-ব্যানারে সবকিছুতেই দলটি অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।
অন্যদিকে জোটের অন্যতম দল এনসিপির মনোনয়নপ্রত্যাশী শামস ইশতিয়াক রহমানকে এখনো মাঠে তেমন সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তাই ধারণা তৈরি হয়েছে, জোট যদি সমন্বিত প্রার্থী দেয়, তাহলে মাঠে সংগঠন, জনপ্রিয়তা ও প্রচারণার ভিত্তিতে এবি পার্টির প্রার্থী ড. ফয়সাল খানই এগিয়ে থাকতে পারেন। এনসিপির নেতা-কর্মীরা যদিও বলছেন, কেন্দ্রীয় আলোচনা ছাড়া কিছু নিশ্চিত নয়, তবে তাঁদের নীরব মাঠ উপস্থিতি কেন্দ্রের কাছে প্রশ্ন তুলতে পারে কাকে দিয়ে জোট সমীকরণ সবচেয়ে শক্তিশালী হবে?
জোট ঘোষণার পর এই আসনে বিরোধী রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি হয়েছে। সমর্থক ও কর্মীদের মধ্যে আলোচনা, ‘ড. ফয়সাল খান কি জোটের মুখ হতে যাচ্ছেন? আরো জোরদার হয়েছে। অন্যদিকে এনসিপির অংশটি কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে নিজেদের উপস্থিতি বাড়ানোর চেষ্টা করছে।
